× UCB Sticker Card
বুধবার, ০১ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ১, ২০২৬, ০৬:২৯ পিএম

কাতারে পরোক্ষ বৈঠকে বসেছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ১, ২০২৬, ০৬:২৯ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির স্থায়ী অবসান এবং একটি চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানোর লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরোক্ষ ও নিম্ন-পর্যায়ের কারিগরি আলোচনা শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন আলোচনা সম্পর্কে অবগত এক কূটনীতিক।

বুধবার (১ জুলাই) ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে তিনি জানান, কাতারের রাজধানী দোহায় কাতারি ও পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের উপস্থিতিতে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

ওই কূটনীতিক বলেন, সমঝোতা স্মারক এবং লেক লুসার্ন শীর্ষ সম্মেলনে অর্জিত অগ্রগতির ভিত্তিতে এই কারিগরি আলোচনা এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এতে যুদ্ধবিরতি, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে চূড়ান্ত চুক্তির সময়সীমা নির্ধারণের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তিনি আরও জানান, গতকাল মঙ্গলবার কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল থানির সঙ্গে বৈঠকের পর মার্কিন প্রতিনিধি জ্যারেড কুশনার এবং স্টিভ উইটকফ এই কারিগরি আলোচনায় অংশ নেননি।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয় পক্ষই কাতারে প্রতিনিধি পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছিল।

আলোচনা সম্পর্কে অবগত একটি সূত্র এবং এক ইরানি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে নৌচলাচল এবং একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই পরোক্ষ আলোচনা চলছে।

এদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি এক্স (সাবেক টুইটার)-এ এক পোস্টে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরানের জনগণ বা নেতৃত্বের বিরুদ্ধে যেকোনো হুমকির ‘তাৎক্ষণিক ও জোরালো জবাব’ দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট তেল আবিবে থাকা ‘মার্কিন সমর্থিত পক্ষগুলোর’ আচরণ নিয়ন্ত্রণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যদি তারা তা না মানে, তবে ইরান কঠোর জবাব দেবে।

একই পোস্টে আরাকচি ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজের একটি মন্তব্যের উল্লেখ করেন, যেখানে তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিকে ‘লক্ষ্যবস্তু’ করার ইঙ্গিত দেন বলে দাবি করা হয়।

বর্তমানে দোহায় চলমান এই আলোচনা মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কমিয়ে আনার একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

Link copied!