× UCB Sticker Card
রবিবার, ০৫ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ৫, ২০২৬, ০১:২৩ পিএম

খামেনির জানাজায় দেখা মিলল তিন ছেলের

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ৫, ২০২৬, ০১:২৩ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা রাজধানী তেহরানে অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাষ্ট্রীয় ও সামরিক পর্যায়ের শীর্ষ ব্যক্তিদের পাশাপাশি তার পরিবারের সদস্যরাও এতে অংশ নেন। তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা ও তার উত্তরসূরি মোজতবা খামেনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম এপির তথ্য অনুযায়ী, তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় অনুষ্ঠিত জানাজায় খামেনির তিন ছেলে মাসুদ, মেইসাম ও মোস্তফাকে দেখা যায়। এছাড়া ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর কমান্ডার আহমদ ভাহিদিও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য হামলার হুমকির কারণে নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় মোজতবা খামেনি জানাজায় যোগ দেননি। সম্প্রতি তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, তবে এখনো প্রকাশ্যে আসেননি।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরএনএর খবরে বলা হয়েছে, দেশের জ্যেষ্ঠ ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব আয়াতুল্লাহ জাফর সোবহানি জানাজার নামাজে ইমামতি করেন। এতে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ, বিচার বিভাগের প্রধান গোলামহোসেন মোহসেনি এজেই এবং আইআরজিসির কুদস ফোর্সের কমান্ডার ইসমাইল কানি উপস্থিত ছিলেন।

আধা-সরকারি তাসনিম নিউজ জানায়, জানাজার নামাজ শুরুর অনেক আগেই গ্র্যান্ড মোসাল্লার প্রধান প্রাঙ্গণ শোকাহত মানুষের ভিড়ে পূর্ণ হয়ে যায়। জানাজার পর সোমবার তেহরানে এবং মঙ্গলবার পবিত্র শহর কোমে শোক শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে খামেনির মরদেহ ইরাকের নজফ ও কারবালায় নেওয়া হবে। এরপর বৃহস্পতিবার দাফনের জন্য তা আবার ইরানের মাশহাদে ফিরিয়ে আনা হবে।

আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি: সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

১৯৩৯ সালে ইরানের পবিত্র শহর মাশহাদে জন্মগ্রহণ করেন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের আগে তিনি রাজতন্ত্রবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

১৯৮১ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত ইরানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পর আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর ১৯৮৯ সালে তিনি দেশের সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হন। দীর্ঘ শাসনামলে তিনি ইরানের সামরিক ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

তার নেতৃত্বের শেষ দিকে দেশটি অর্থনৈতিক সংকট ও ব্যাপক বিক্ষোভের মুখোমুখি হয়। পরে ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় তিনি নিহত হন। তার মৃত্যুর পর মোজতবা খামেনি ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!